Translate

Showing posts with label কবিতা. Show all posts
Showing posts with label কবিতা. Show all posts

Sunday, April 23, 2017

সং মশাল.

যাবতীয় ভালো লাগা
নিমেষে বিষাক্ত হতে পারে..
মুহুর্তে ভেঙ্গে যায়
গডে উঠা সাম্রাজ্য


কোলাহল স্থিমিত হয়
শোকসভা পালনে..


মোমবাতি আজ
প্রতিবাদি স্মরনের অঙ্গ..


আজ আর দেখা যায় না
জঙ্গলে  জোনাকী...
জ্বলে না পতঙ্গের রং মশাল...

Tuesday, August 23, 2016

উদার প্রহারে

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
===========
শক্তের ভক্ত নরমের যম
জমে থাকা রক্তেতে চিনি কেন কম?
পেটে খেলে পিঠে সয় কেন বলে লোকে
লোকাচারে রস কেন বল শুষে জোঁকে?
‘জোক’ শুনে একাধারে ক্ষিদে কেন পায়
পায়ে পড়ে কেন এরা দোস্তি পাতায়?
পাতায় পাতায় কেন চলে ডাল ছেড়ে
‘ছেড়ে দে মা’ বলে তারা ডাকে কোথা গেলে?
গেলে ফ্যান ভাত খায় সচ্ছল জন
জননী হজম কেন আজাদীর পণ?
পণ নিয়ে বিয়ে করে সেয়ান শিকারী
কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা গুণে তবুও ভিখারী!
দাবদাহে ভাব করে অহি ও নকুল
কুলকুল করে ঘামে রোদেতে বাতুল!
তুলতুলে শয্যায় স্বপ্নে বিভোর
ভোররাতে পা টিপে ঘর ছাড়ে চোর!
চুরচুর হয়ে ব্যাটা সুর যত সাধে
সাধে তাকে ডাকি বলে ‘বুর্বক, গাধে’!
ধেয়ানে ধেয়ানে দেখ হল কত বেলা
লাঠালাঠি আজ আর নয় কোনো খেলা!
খেলা ছেড়ে সবে চায় পাইকারি জঙ
ঝঙ্কার অস্ত্রের আধুনিক সঙ্‌
সংসারে বেঁচে থাকো সাদর আদরে
দরেদামে মিলে যাবে উদার প্রহরে।

লক্ষ্যভেদ

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
==========
সুষুপ্ত লালসায়
এখনও বাকী আছে
জরুরী প্রয়োজন, লক্ষ্যভেদ
তবে এসো একদিন
গবেষক তমোগুণী
মেটাও আহরিত খেদ
অধরা গোপন
মদিরার অনুরোধে
বেড়ে যায় সারিবদ্ধ শির
অনুরাগ ভ্রমে
সুতনু আবৃত করে
সুরভিত রঙীন আবীর।

অন্তিম ষ্টেশনে

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
============

অন্তিম ষ্টেশনে বসে থাকি একা, বিশ্রামগৃহে শুষে নিই অনুকূল তাপ
প্রায়ান্ধ বৃদ্ধ শিকারীর মত গুনি একে একে নির্বিষ নিরীহ যত পাপ ।


ধুয়ে গেছে অভিমান, অবশেষে উজ্জ্বল হয়েছে যেন ভাসমান শিলা
ঈশ্বরের বাগানে কত ফুল ফোটে, বাষ্পবৎ উড়ে যায় তাবৎ অছিলা ।

বাস্তুভিটেয় টের পেয়েছি সবাই একটি দুটি করে ঘুঘুদের আনাগোনা
করতলগত গভীর ভাগ্যরেখায় নিয়তিনির্দেশ; আমরণ জাল বোনা ।

GET LOST

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।


দুধকলা দিয়ে পোষা গরল আঁতেল
ন্যাড়াকে পাঠায় তারা আনিবারে বেল
মাতার অঙ্গছেদ, আজাদির পিণ্ডি
চটকায় অবিরাম ভাজে শুধু ভিণ্ডি
লোকে দেয় ধিক্কার এই হেন শিক্ষার
মুণ্ডপতন তরে চাই নব দীক্ষার
আলোকে দেশের প্রেম মাতার পূজন
সমূলে নষ্ট করো প্রেতের ভোজন
ভঙ্গ দেশের বুকে পিশাচের নর্ত্তন
আর নয় কোনোরূপ তৈলের মর্দন
দূরে ভাগো বেইমান, আজই হও get lost
পনেরো-আগস্ট বুকে থাক at any cost !!

‘পোগোতি’র বাপ

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
==============
তাড়াহুড়ো কর কেন ধর্মের দাস
বসো দেখি থিতু হয়ে ছাড়ো হাঁসফাঁস
ছাগল শিকারী তুমি পাগল বালক
স্বর্গের রথে বুঝি তুমিই চালক?
তোমার দেবতা সে কি শত্রু আমার?
আমরা কি তোমাদের খাবারদাবার?
ডাকো তবে ঈশ্বরে হোক ফয়সলা
কাটিবার তরে কেন দিয়াছে সে গলা
উত্তর দিয়ে যাক মুক্ত সভায়
বলুক নিরীহ কেন তাহারে ডরায়


(উষ্ণীষে দেগে রাখা পোগোতি’র ছাপ
ত্বরায় ডাকিতে গেল নিজেদের বাপ)

দিয়ে যাক পরিভাষা শুধু একখানা
ছাগের কোনটি হয় তিন নং ছানা
পুরাণে লিখেছে তার কি বা লক্ষণ
অখাদ্য কিভাবে লোকে করে ভক্ষণ
ভূতেরা কিসের তরে করে রামনাম
আড়ালে চালায় কেন কড়া দরদাম
মরিতে বাধ্য কেন যাহারা কাফের
রক্ত কী হারে বেচে; লিটার না সের
এইটুকু বলে কিছু নিতেছিনু দম
‘পোগোতি’র বাপ এসে করিল চরম
কাজ বেশী কথা কম তাহার ধরম
কল্লা গড়ায়ে গেল, সাথে সম্ভ্রম।

প্রবীণ স্বাধীনতা

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।

জেগে ওঠে দিন
প্রতিবাদ ফুটে ওঠে
ফোটে ক’টি দীনতার ফুল
প্রত্যাশায় কিছু ক্ষীণ
সকুণ্ঠ কম্পিত ঠোঁটে
প্রবীণ স্বাধীনতা এখনো অতুল
অন্তরে নিয়ত গহীন
বাসনা কিছু দুরূহ বটে
খোঁজে ঠিকানা স্থায়ী অনুকূল
অধুনা স্বেচ্ছা অন্তরীন
এই তবে ছিল মোর ঘটে
নির্দয় বান্ধবঘেরা গেহ নির্ভুল
রিক্তহস্ত সান্ত্বনাহীন
গাও সামগান এ সঙ্কটে
উৎখাত হোক ক্রুদ্ধ চক্ষুশূল ।


মেঘনাদ

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।


শাস্তি পাপের বৃহৎ মাপের দুষ্ট নাহিকো পায়
শিষ্ট লোকের সামনে চোখের পর্দাটি খুলে যায়
কিসের আশে নেতার পাশে কীটের অণু কীট
কিসের জোরে পুকুর চোরে বাঁচায় নিজের পিঠ
দেশের কথায় রসিকতা্য হয়েছ জনপ্রিয়
এমন জিনিস হয়নি ফিনিশ বুঝলে হোরেশিও
কে আছ জোয়ান তুলসী সমান নাই বা হলে ধোয়া
হয়ো না কাতর পরশপাথর দিয়েই হবে ছোঁয়া
রতন-মানিক ডজন খানিক জুটিয়ে নামো মাঠে
দেখ তারপর অষ্টপ্রহর কী করে দিন কাটে
ছেড়ে মান-হুঁশ নব কাপুরুষ ধরে মেঘনাদ রূপ
চিরনতশির অভাগা জাতির নিয়তি অন্ধকূপ
কিবা বলি আজ ওহে জাঁহাবাজ তুমিই মালিক বটে
জেনে গেছি ভাই সত্য তাহাই বাজারে যে কথা রটে।

আসুক সুদিন

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।


ক্ষুদ্র কুটীরের সীমিত আশ্রয়ে সাক্ষী লুকিয়ে আছে জেনো একাধিক
সমাপণ প্রস্তাবে শর্ত্ত কঠোর, সমূহ অশ্বারোহী হবে নিরস্ত্র পদাতিক


বহুদিন চেনা বিশ্বস্ত সখা, মুক্ত অঙ্গন প্রান্তে উজ্জীবিত সহর্ষ রোহিনী
খোলো দ্বার তুলে দাও অবগুণ্ঠন; গোধূলি গড়িয়ে হোক গভীর রজনী

উজ্জ্বল শিখায় বহ্নিবারতা পড়েনি মগ্ন তারা অশেষ যাপনব্যস্ততায়
সরে গেছে ক্রমে দূর হতে দূ্রান্তের দিকে কর্ষণভূমি, মূক সম্প্রদায়

ত্রুটিহীন সমরসাজে এনেছো বিজয়, রুদ্ধবাক সারিসারি ভাবলেশহীন
মুখে দাও পুনরায় হারানো ভাষা; বিজ্ঞাপণ ঢেকে যাক, আসুক সুদিন।

সুধাসাগর তীরে


।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।


শিরোপরি আনমনে দোলে সরল পেণ্ডুলাম

আত্মসমর্পণে গৌরব জানে পরাহত ক্রুদ্ধ বচন

ধাতব গোলক থেকে ঠিকরানো স্বর্ণালী আভায়

লেখা থাকে প্রেমতরঙ্গরেখা, সহর্ষ অভিনন্দন।

অরণ্যে কোথাও জমে প্রত্যাশার ধুমায়িত ক্ষোভ

ধর্মসঙ্কটে বারম্বার ঘুরপাক খায় বিদ্রোহ প্রবল

স্বল্প পরিসরে সঙ্কীর্ণ আগ্রহ, অধীর হতে থাকি

একটু একটু করে, সরে যায় গুরুভার জগদ্দল।

প্রতিদিনই শুনেছি মনোযোগে বিস্তৃত অভিভাষণ

বিদায় বা আবাহন একাকার সবই ধীরে ধীরে

অস্ফূট উচ্চারে স্তব্ধ বেদনা বোঝে নি কেউ

ঢেউ আসে, ফিরে যায় ‘সুধাসাগর তীরে’।


ঈর্ষা

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।

 হায় রে ছাগল, ভাঙিলি আগল
কী বা বলি তোরে বল
তোরই তরে গাঁথা পুষ্পমালিকা
তোরই হাতে শতদল।
তোরই হাতে আজ শৌর্যনিশান
তোরই খেলা চলে দিবারাত
অম্লমধুর বিষাদবিধুর
ছন্দে পতন অকস্মাৎ
তোর সাথে জানি মহারাজা-রাণী
পারে নাই কেহ আঁটিয়া
ঈর্ষা সকল করে খলবল
‘ফাটি যাওত ছাতিয়া’ !!

Sunday, July 17, 2016

শৌখীন অঞ্জন

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
============

সহজাত সমীক্ষায় প্রতিদিন

ক্ষুদ্র পদক্ষেপে পরিচয় তার সাথে

দীর্ঘ সহবাসের ইতিবৃত্ত জুড়ে

অনন্য সঙ্গতি বুঝি আলোকসম্পাতে


ইচ্ছাধীন এই মৃত্যু বা জীবন

পূণ্যধারায় মেশা শোণিত ও স্বেদ

মন্থনে পেয়েছো সূক্ষ্ম নির্যাস

হতাশ আবহে ঘেরা বিচিত্র অভেদ


শিশুবৃক্ষ মহীরুহ রূপ ধরে

ঋণশোধে দেয় যেন মধুর ব্যজন

দগ্ধ কাণ্ড, শাখা-প্রশাখা হতে

প্রত্যন্ত দেশে গেছে শৌখীন অঞ্জন।

Saturday, July 16, 2016

।। অজাযুদ্ধ শেষে ।।

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
=============
কখনোসখনো শুনি বিশালতার কথা

কালিমাঢাকা অন্ধযুগে মধ্যবর্তী

ক্ষণিকের ‘কমার্শিয়েল ব্রেক’

পাতালের গহ্বরে তিমিরান্ধ জন

সেও শোনে মুগ্ধ বিস্ময়ে একাকী

বয়ঃসন্ধির উৎসুক বালকের মতো

অবিরাম চক্ষুকর্ণের বিবাদব্যস্ত রণাঙ্গণে

একান্ত জীবিকা জানি যাপনমাধ্যম

অধিকন্তুর খোঁজ তত্রাপি নয় দোষায়;

এইরূপ দর্শনের জন্মে কিঞ্চিৎ অবৈধ

সুখ হয়; ব্যাপকার্থে ধর্ম হয় ততোধিক

পাষাণখোদা সুচারু শিল্পকৃতিতে বাঙ্ময়

প্রকাশমান দেখো ধীরলয়ে কোন সম্ভাবনা

‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা’ ইন্দ্রজালের দেশে

রচিত হবে বিরল ইতিহাস, অজাযুদ্ধ শেষে।

।। ভুঁইফোঁড় ।।

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
=========
রক্তগঙ্গা অকাতর, আজই যদি ভাসাও সমাধি
পরিচয় জেনে গেছি হে নিমন্ত্রিত অনর্থ অনাদি


কিছু আয়ূ চাই; প্রয়োজন নিতান্ত স্থূল সাধারণ
রবাহূত যজ্ঞস্থলে লুণ্ঠিত ধুলোময় অন্তরাবাহন

ঘনঘটার দিনে খুঁজে নেবো বিখণ্ড একটি আকাশ
ভরা এ বাদরদিনে নিভে যাবে ক্রমে বিবিধ হুতাশ

সুখ নেই, দুঃখ নেই; আছে নীরব মিছিল অন্তহীন
জরা নেই, মৃত্যু নেই; আছে প্রতিরূপ সিদ্ধান্ত গহীন

ক্ষুদ্র ভূখণ্ড নিয়ে অকিঞ্চন হেতু সামান্য চাষবাস
সংসারগত ভুঁইফোঁড় অদ্যাপি মহার্ঘ নয় অবকাশ।

।। অবরোধ ।।

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
=========
সবান্ধব তপোশ্চরণ ধীর প্রতীক্ষায়
অচেনা এ প্রহর, অজানা এ যাম
প্রতিধ্বনি চরাচরে বাজে স্পষ্টসুরে দৃপ্ত মহানাম


অবিশেষ বাগিচায় পদচিহ্ন দেখি
চলে গেছে চিরতরে লুকোনো সন্তাপ
হে চিরশিশু, সকলি হলো আজ অতিক্রম্য পাপ

প্রত্যাখ্যাত দাস্যলব্ধ সমৃদ্ধি প্রলোভন
ধরে আছে যুগান্ত থেকে অমেয় সঞ্চয়
শীর্ণকায়া স্রোতহারা নদী সমন্বিতে প্রশস্ত হৃদয়

নেশাগ্রস্তের মতো মরীচিকা অঙ্কন
এতকাল করেছো কেন; কোন প্রতিশোধে?
এনেছো মারী, অনাহার; লক্ষ্যহীন উন্মাদ অবরোধে।

।। আদিম লড়াই ।।

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
============
অবতার রূপে গতায়ূ অনুরাগ ফিরে আসে মহাবোধি ছায়ায়
সুশোভন আশা, স্বপ্ন আচ্ছাদন; গ্রন্থিত অবিনাশী সূক্ষ্ম মায়ায়


ইতিবৃত্তে লিখেছি সে ইঙ্গিতকথা, বোঝেনি তারা ব্যস্ত কোলাহলে
বিবর্ণ পাদটীকা অদৃশ্য ললাটে, ফিরে এসো মাতৃরূপে স্নিগ্ধ অঞ্চলে

বাক্য-নিষ্কাষণ জীবনে অচেনা, সংসারে এককোণে ত্রস্ত দাঁড়াই
অশ্রু বাষ্প হলো নগর সাধনে; দখল-অভিলাষী আদিম লড়াই

ভিক্ষামুষ্ঠি দিয়ে যেও একদিন অসম্পূর্ণ দৃশ্যপটে উদাসীন হাতে
উজ্জ্বল সম্ভ্রম ঘিরে জ্বলুক বিভা, মহাকাব্য মহরৎ নবীন প্রভাতে।

।। অভ্যাস ।।

।।জিতেশ ভট্টাচার্য।।
=========
অভ্যাসে কুড়োনো যাত্রাপথের নুড়ি

সঞ্চিত অগণিত লঘু প্রলোভন

আনমনে নেড়েচেড়ে দেখি বহুবার

মূর্খ লোভীর যত আকার-প্রকার

অঙ্কুরচিহ্ন আজো ফোটেনি কোথাও

রুদ্ধবাক সংযমের অতিদীর্ঘ কাল

কেটে যায় অনন্ত জন্ম-প্রতীক্ষায়

বৃক্ষ সজীব হয় নিহিত আশায়।

।। মূষলপর্ব ।।

।। জিতেশ ভট্টাচার্য।।
=========
পিপীলিকার দ্রুত আনাগোনা দেখে

জেনেছো সময়ের নিহিত ভাষা

জনসভায় ক্ষিপ্র সিদ্ধান্ত-প্রয়াস

বুঝেছো অবশেষে আবহসঙ্কট

ধুম্রজালে মৃত্যুময় স্থায়ী পরবাস

শুষ্ক বায়ূ আনে বিসূচিকা উদ্গম

স্নিগ্ধপ্রলেপ দিও তিলেক প্রমাণ

দানবের অজ্ঞাত গুপ্ত ছত্রছায়ায়

সহানুভূতি আবৃত সজীব বাগান

ঝাড়েবংশে বর্দ্ধমান অবধ্য মূষল

শুধিওনা তাকে আর অযথা কুশল।

।। জীবতারা খসে ।।

।। জিতেশ ভট্টাচার্য ।।
=============
নিঃস্ব সময়; তবে গতিশীল বটে
আজন্ম কথাটি ঠিক এভাবেই রটে
কার্ণিশে সন্তর্পণ ঘরোয়া আন্দাজ
দেয়ালের শীর্ণ লতা, উঞ্ছ সমাজ
দশচক্রে রেখাজাল, জ্যান্ত কোলাজ


অশরীরী সর্বত্র ঘোরে বাধাহীন
ব্যর্থ প্রহরা; বৃথা উদ্যত সঙ্গীন
ডেকে আনে ঝড় অক্ষম আক্রোশে
দুঃস্থ জ্যোতিষীবাণী শুনি রসেবশে
নিশ্চিন্ত জীবতারা একে একে খসে।

।। অভিবাদন ।।

।। জিতেশ ভট্টাচার্য।।
============
অভিবাদন স্বীকার করো আজ
হে অন্তহীন সামুদ্রিক বিজয়মিছিল
থাকে যদি তবু থাকুক অটুট
অদৃশ্য চতুর্থমাত্রিক নিশ্ছিদ্র কারাগার
সন্ধি হোক নির্ণায়ক শর্তবিধানে
মধ্যস্থ শিশুর হাতে সাক্ষ্য-হস্তাক্ষরে
সংরক্ষিত হবে সুষম বরদান


অগ্নিশলাকা থেকে খসে যাবে বারুদ
পর্যায়ক্রমে জন্ম নেবে ক্ষুদ্র কুসুম
থেমে যাবে একদিন অনবধানে
অকস্মাৎ ছদ্মবেশী গুপ্ত হন্তারক
নবযুগ প্রারম্ভের কালে বলে দিও
কানে কানে ক্ষুৎপিপাসার সহজ নিবারণ
আজ শুধু স্বীকার করো নম্র অভিবাদন।